আমরা শুধু একটা বেটিং সাইট নই। আমরা বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ ক্রীড়াপ্রেমীর জন্য একটা নির্ভরযোগ্য গন্তব্য তৈরি করতে চেয়েছিলাম — যেখানে নিরাপত্তা, স্বচ্ছতা আর সেরা অভিজ্ঞতা একসাথে পাওয়া যায়।
abe999 তৈরির পেছনে ছিল একটাই উদ্দেশ্য — বাংলাদেশের মানুষের জন্য এমন একটা প্ল্যাটফর্ম বানানো যেটা সত্যিই তাদের কথা ভেবে তৈরি।
বাংলাদেশের প্রতিটি কোণে বসবাসকারী ক্রীড়াপ্রেমীদের কাছে বিশ্বমানের অনলাইন বেটিং অভিজ্ঞতা পৌঁছে দেওয়া। ভাষার বাধা, পেমেন্টের জটিলতা বা নিরাপত্তার শঙ্কা — কোনো কিছুই যেন বাধা না হয়।
দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বিশ্বস্ত ও ব্যবহারকারীবান্ধব বেটিং প্ল্যাটফর্ম হ িসেবে abe999-কে প্রতিষ্ঠিত করা। এমন একটা ভবিষ্যৎ গড়া যেখানে অনলাইন বেটিং হবে স্বচ্ছ, নিরাপদ এবং সবার কাছে সহজলভ্য।
প্রতিটি সদস্যকে সম্মান করা, তাদের অর্থ সুরক্ষিত রাখা এবং যেকোনো সমস্যায় পাশে থাকা। abe999-এ আপনি শুধু একজন ব্যবহারকারী নন — আপনি আমাদের পরিবারের অংশ।
২০১৯ সালে যখন abe999 যাত্রা শুরু করেছিল, তখন বাংলাদেশে অনলাইন বেটিং মানেই ছিল বিদেশি সাইটে যাওয়া, ইংরেজিতে হিমশিম খাওয়া আর পেমেন্টের জন্য নানা ঝামেলা পোহানো। abe999-এর প্রতিষ্ঠাতারা ঠিক এই সমস্যাটাই সমাধান করতে চেয়েছিলেন। তাঁরা বিশ্বাস করতেন, বাংলাদেশের মানুষ যদি তাঁদের নিজের ভাষায়, নিজেদের পরিচিত পেমেন্ট পদ্ধতিতে বেটিং করতে পারেন — তাহলে অভিজ্ঞতাটা অনেক আলাদা হবে।
শুরুর দিকে ছোট একটা টিম নিয়ে কাজ শুরু হয়েছিল। প্রথম কয়েক মাস ছিল পরীক্ষা-নিরীক্ষার সময়। কোন ফিচারগুলো বাংলাদেশের ব্যবহারকারীদের সত্যিই দরকার, কোন পেমেন্ট গেটওয়ে সবচেয়ে ভালো কাজ করে, মোবাইলে অভিজ্ঞতা কেমন হওয়া উচিত — এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজতে গিয়ে abe999 ধীরে ধীরে আজকের রূপ পেয়েছে।
২০২০ সালের মধ্যে abe999 একটা পরিচিত নাম হয়ে উঠেছিল। বিপিএল সিজনে ক্রিকেটপ্রেমীরা দলে দলে যোগ দিচ্ছিলেন। lাইভ বেটিং ফিচারটা তখন একটা বড় আকর্ষণ ছিল — ম্যাচ চলার সময় রিয়েল-টাইম অডস দেখে বেট করার সুযোগ তখন খুব কম প্ল্যাটফর্মেই ছিল। abe999 সেটা দিয়েছিল, এবং ব্যবহারকারীরা সেটা পছন্দ করেছিলেন।
২০২১-২২ সালে abe999 আরও বড় হয়। মোবাইল অ্যাপ লঞ্চ হয়, bKash ও Nagad সংযুক্ত হয়। লাইভ ক্যাসিনো বিভাগ চালু হয় — বাকারা, রুলেট, অ্যানদার কার্ড সবই একটা অ্যাপে। এই সময়ে কাস্টমার সাপোর্ট টিম পুরোপুরি বাংলায় রূপান্তরিত হয়, যাতে যেকোনো সদস্য নিজের ভাষায় সমস্যার সমাধান পান।
আজ abe999-এ পাঁচ লাখের বেশি নিবন্ধিত সদস্য আছেন। ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী — দেশের প্রতিটি বিভাগ থেকে মানুষ প্রতিদিন abe999 ব্যবহার করছেন। এই বিশ্বাসটা আমাদের কাছে সবচেয়ে বড় পুরস্কার। এবং এই বিশ্বাস ধরে রাখার জন্য আমরা প্রতিদিন কাজ করে যাচ্ছি।
abe999 কখনও থেমে থাকেনি। প্রতিটি আপডেটে নতুন কিছু যোগ হয়েছে। ব্যবহারকারীদের ফিডব্যাক সরাসরি প্রোডাক্ট টিমে পৌঁছায় এবং সেই অনুযায়ী পরিবর্তন আসে। এটাই abe999-এর সবচেয়ে বড় শক্তি — মানুষের কথা শোনা এবং সেই অনুযায়ী নিজেকে বদলানো।
লক্ষ লক্ষ মানুষের বিশ্বাসের পেছনে আছে কিছু কারণ। এখানে সেগুলো একনজরে দেখুন।
abe999 SSL এনক্রিপশন, Two-Factor Authentication এবং অ্যান্টি-ফ্রড সিস্টেম দিয়ে সুরক্ষিত। আপনার অর্থ এবং ব্যক্তিগত তথ্য সবসময় নিরাপদ থাকে।
ইন্টারফেস থেকে লাইভ চ্যাট — সবকিছু বাংলায়। বিদেশি সাইটের মতো ইংরেজিতে হিমশিম খেতে হবে না। নিজের ভাষায় স্বাচ্ছন্দ্যে উপভোগ করুন।
বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় মোবাইল ব্যাংকিং সেবাগুলো সরাসরি abe999-এর সাথে যুক্ত। ডিপোজিট ও উইথড্রয়াল মাত্র কয়েক মিনিটেই সম্পন্ন হয়।
ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস — ম্যাচ চলার সময় রিয়েল-টাইম অডসে বেট করুন। লাইভ স্ট্রিমিংয়ে ম্যাচ দেখুন এবং প্রতিটি মুহূর্তে সিদ্ধান্ত নিন।
নতুন সদস্যদের জন্য ওয়েলকাম বোনাস, প্রতিদিনের রিলোড অফার এবং বিশেষ ইভেন্টে এক্সক্লুসিভ প্রোমোশন — সুযোগ মিস করবেন না।
রাত তিনটেও যদি কোনো সমস্যা হয়, abe999-এর লাইভ চ্যাট টিম বাংলায় সাহায্য করতে প্রস্তুত। কোনো প্রশ্ন অনুত্তরিত থাকে না।
২০১৯ থেকে শুরু করে প্রতিটি বছর abe999 নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। এখানে সেই যাত্রার গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলো।
abe999 ২০২৩ সালে বাংলাদেশের "Best Online Betting Platform" পুরস্কার পেয়েছে — যা সম্পূর্ণ ব্যবহারকারীদের ভোটে নির্ধারিত হয়েছিল।
বাংলাদেশের প্রথম পূর্ণ বাংলা ইন্টারফেসের অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে যাত্রা শুরু। প্রথম তিন মাসেই ১০,০০০ সদস্য যোগ দেন।
লাইভ বেটিং ফিচার চালু হয়। বিপিএল সিজনে রেকর্ড সংখ্যক নতুন সদস্য নিবন্ধন করেন। সদস্য সংখ্যা ১ লাখ ছাড়িয়ে যায়।
Android ও iOS অ্যাপ লঞ্চ হয়। bKash ও Nagad সরাসরি যুক্ত হয়। পেমেন্ট প্রক্রিয়া আরও সহজ ও দ্রুত হয়।
বাকারা, রুলেট ও লাইভ কার্ড গেম যোগ হয়। সাপোর্ট টিম ২৪/৭ বাংলা সেবায় রূপান্তরিত হয়। সদস্য সংখ্যা ৩ লাখ ছাড়ায়।
"Best Online Betting Platform" পুরস্কার অর্জন। Rocket পেমেন্ট যোগ হয়। রিওয়ার্ড প্রোগ্রাম ও লয়্যালটি সিস্টেম চালু হয়।
নিবন্ধিত সদস্য সংখ্যা ৫ লাখ ছাড়িয়ে যায়। নতুন অ্যাপ ভার্সন, উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং আরও বেশি বেটিং মার্কেট যোগ হয়।
abe999 পরিচালিত হয় কিছু মূল নীতির ভিত্তিতে। এগুলো শুধু কাগজে-কলমে নয় — প্রতিটি সিদ্ধান্তে, প্রতিটি আপডেটে এই মূল্যবোধ প্রতিফলিত হয়।
abe999-এ কোনো লুকানো চার্জ নেই, কোনো অস্পষ্ট নিয়ম নেই। বোনাসের শর্ত, উইথড্রয়ালের নীতি — সবকিছু স্পষ্টভাবে বাংলায় লেখা আছে। আমরা বিশ্বাস করি, স্বচ্ছতাই দীর্ঘমেয়াদী সম্পর্কের ভিত্তি।
আপনার অর্থ এবং তথ্যের নিরাপত্তা আমাদের কাছে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। আমরা নিয়মিত নিরাপত্তা অডিট করি এবং সর্বশেষ এনক্রিপশন প্রযুক্তি ব্যবহার করি।
বেটিং বিনোদনের জন্য, আসক্তির জন্য নয়। abe999-এ ডিপোজিট লিমিট, সেলফ-এক্সক্লুশন এবং কুলিং-অফ পিরিয়ডের সুবিধা আছে। দায়িত্বশীলভাবে খেলার জন্য আমরা সবসময় সাহায্য করতে প্রস্তুত।
ঢাকার কেউ হোক বা সুনামগঞ্জের কেউ — abe999-এ সবাই একই সুবিধা পান। ইন্টারনেটের গতি কম হলেও অ্যাপ চলে, মোবাইল ব্যাংকিংয়ে পেমেন্ট হয় — কাউকে বঞ্চিত করা হয় না।
abe999 কখনও নিজেকে "সম্পূর্ণ" মনে করে না। ব্যবহারকারীদের ফিডব্যাক, বাজারের পরিবর্তন এবং প্রযুক্তির অগ্রগতির সাথে তাল মিলিয়ে আমরা প্রতিনিয়ত নিজেদের উন্নত করছি।
abe999-এর পেছনে আছে একটা নিবেদিত দল যারা প্রতিদিন কাজ করে যাচ্ছেন আপনার অভিজ্ঞতা আরও ভালো করতে।
১০ বছরের টেক ও গেমিং ইন্ডাস্ট্রির অভিজ্ঞতা। বাংলাদেশের বেটিং বাজারকে রূপান্তরিত করার স্বপ্ন নিয়ে abe999 শুরু করেন।
ফিনটেক ও সাইবার সিকিউরিটিতে বিশেষজ্ঞ। abe999-এর নিরাপত্তা অবকাঠামো তাঁর নেতৃত্বে গড়া।
৮ বছরের কাস্টমার সার্ভিস অভিজ্ঞতা। abe999-এর বাংলা সাপোর্ট টিমকে গড়ে তুলেছেন।
ব্যবহারকারীর প্রয়োজন বোঝেন এবং সেই অনুযায়ী abe999-এর প্রোডাক্ট রোডম্যাপ তৈরি করেন।
abe999-এ বর্তমানে ১৫০-এরও বেশি কর্মী কাজ করছেন। প্রযুক্তি, ডিজাইন, কাস্টমার সার্ভিস, ফিনান্স — প্রতিটি বিভাগে দক্ষ পেশাদার দল আপনার সেবায় নিয়োজিত।
আমরা বিশ্বাস করি, একজন সচেতন সদস্যই সবচেয়ে ভালো সদস্য। তাই abe999 সম্পর্কে কিছু গুরু ত্বপূর্ণ তথ্য আগে থেকেই জেনে নিন।
৫ লাখেরও বেশি সদস্যের বিশ্বস্ত প্ল্যাটফর্মে নিবন্ধন করুন। প্রথম ডিপোজিটে পান ১০০% ওয়েলকাম বোনাস।